Breaking

জুন ২৩, ২০২৩

গ্যাস্ট্রিক দূর করার খাবার

 গ্যাস্ট্রিক দূর করার খাবার

আসসালামু আলাইকুম -সবাই কেমন আছেন ,আজকে কথা বলব কিভাবে আজীবনের জন্য গ্যাস্টিক মুক্ত থাকা যায়|গ্যাস্টিক মুক্তি জীবন করা যায় গ্যাস্ট্রিকের জন্য অনেক কষ্ট সবার |

গ্যাস্ট্রিক দূর করার খাবার



কিছু খেতে পারিনা শুধু বুক জ্বালাপোড়া করে গ্যাস্ট্রিক হয় সমাধান কি আমাদের অনেকেরই খাবার পরে


বুকের মাঝখান থেকে জ্বালাপোড়া করে এই রোগটা কি 


আমরা অনেক ধরনের নাম দেই গ্যাস্ট্রিক আলসার এসিডিটি হার্ডবোর্ড রিফ্লাক্স ইত্যাদি তবে ডাক্তারি ভাষায় রোগের নাম অনেক বড় সমাধান জানতেন নাম মুখস্ত করা লাগবে না|

 কেন ওই সমস্যাটা হয় সেটা আগে অল্প করে বলব তারপর বলব বাসায় বসেই এই সমস্যা কমানোর উপায় |

আর কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এগুলোর কোনটাই আমার মনগড়া কথা না সবগুলোই গবেষণা থেকে তুলে ধরা বুক জ্বালাপোড়ার পাশাপাশি মুখের ত্বক লাগতে পারে পেট ফাঁপা লাগতে পারে বমি ভাব হতে পারে বারবার ঢেকুর আসতে পারে|

আবার কারো কারো বারবার কাশি বা হেঁচকি হয় কোন প্রক্রিয়ায় 770 গন্ধ আসে কেন এই সমস্যাটা হয় সেটা দিয়ে শুরু করি |


আমরা যখন কিছু শেখাবার পাকস্থলীতে যায় পাকস্থলী কিছু আছে এবং আরো কিছু জিনিস তৈরি করে খাবার হজম করার জন্য.

অ্যাসিড আর খাবার দুটোই পাকস্থলী থেকে নিচের দিকে নামতে থাকে ,তবে যদি অ্যাসিড নিচের দিকে নেমে গলার দিকে উপরে উঠে আসে তখন আমরা বুকে জ্বালা-পোড়া অনুভব করি তাহলে পাকস্থলীর কেন উপরের দিকে চলে আসে নীচে না নেমে কোনো কারণ ছাড়াই এমন হতে পারে |


আবার কিছু কিছু জিনিস এই সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বা বাড়িয়ে দিতে পারে যেমন নির্দিষ্ট কিছু খাবার কারও কারও বেশি মসলা দিয়ে রান্না করা খাবার খেলে জ্বালা পোড়া শুরু হয় আবার কারো কফি খেলে অসুবিধা শুরু হয় একেক জনের একেক রকম হতে পারে|

যারা ধূমপান করেন তাদের এই সমস্যা বেশি দেখা দেয় যদি অনেক টেনশনে থাকেন সেখানে থেকে হতে পারে আপনার ওজন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয় তখন এই সমস্যা বেশি হতে পারে যারা গর্ভবতী তারা প্রায়ই এ সমস্যায় ভোগেন যাদের হায় তানিয়া নামের একটা রোগ আছে |


যেখানে পাকস্থলীর কিছু অংশ বুকের উপর চলে আসে তাদের মধ্যেই বুক জ্বালাপোড়া সমস্যা দেখা যায় ,

আর নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ আছে যেগুলো সমস্যা তৈরি করতে পারে যেমন অ্যাসপিরিন আইবুপ্রফেন ইত্যাদি|


ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খান তাহলে কোনভাবেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ গুলো বন্ধ করবেন না|

 আপনার ডাক্তারকে জানানো শুরু করার পরে মনে হচ্ছে জ্বালাপোড়া সমস্যা বেড়ে গেছে ডাক্তারি আপনাকে বদলে দিতে পারেন অথবা জ্বালা প্রয়োজনে অন্য ওষুধ দিতে পারেন |



এখন বলব বাসায় বসেই যে সব উপায়ে আপনি সমস্যা কমাতে পারেন আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাস এর কিছু পরিবর্তন করলে কিন্তু আমি নিজে নিজেই এই সমস্যা অনেকটা কমিয়ে আনতে পারি এক একবারে পেট ভরে খেলে সমস্যা বেশি হয় তাই অনেক খাবার একসাথে খাবেন না|


 সারাদিনে ভাগ ভাগ করে অল্প অল্প খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন একটু বুঝিয়ে বলি বেশি খেলে পাকস্থলীতে ভরে ওঠে একটা বেলুন এর কথা চিন্তা করতে পারেন বাতাস দিলে যেমন বেলুন ফুলে কিছুটা তেমনই খাবার ঢুকলে পাকস্থলীতে ও প্রসারিত হয় একবারে অনেক খাবার খেলে পাকস্থলী অনেক ফুলে ওঠে আর তখন পাকস্থলীর ভেতরে আছে উপরের দিকে উঠে আসতে পারে আর শুরু হতে পারেন বুকে জ্বালা পোড়া 2 খাবারের সময় অনিয়ম করবেন না |


সময়মত খাবার না খেলে পাকস্থলী আরেকটা রোগ.



সম্ভাবনা বেড়ে যায় নাম গ্যাসট্রাইটিস |

পাকস্থলীর ক্ষত দেখা দেয় ইনফেকশন হতে পারে আর এই রোগ হলেও আপনার পেটে জ্বালা পোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে আপনার পক্ষে বোঝা সম্ভব না |


জ্বালাপোড়া কোন কারনে হচ্ছে তাই পাকস্থলী সুস্থ রাখতে আপনাকে নিয়ম করে সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে তিন অনেকের মাঝেই একটা ধারণা আছে যাদের সমস্যা তাদের জন্য দুনিয়ার প্রায় সব খাবারই নিষেধ শুধুমাত্র সিদ্ধ যাওয়া ছাড়া খাবার খেতে হবে এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক না |

তাহলে সঠিক টা কি একজনের জন্য একেক ধরনের খাবারে সমস্যা সৃষ্টি করে যেসব খাবারে আপনার বুকে জ্বালা পোড়া করে আপনি শুধু সেই সব খাবার এড়িয়ে চলবেন|


 সেটা হতে পারে এ মসলা দেয়া অতিরিক্ত তেল দেয়া খাবার আপনার প্রিয় চপ মুড়ি-মুড়ি চানাচুর চটপটি এমনকি ডালভাত আপনার কোন খাবারে সমস্যা হয় সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে |


আর এড়িয়ে চলতে হবে 4 রাতের খাবারটা আগে আগেই সেরে ফেলবেন ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন চার ঘণ্টা আগে আপনি যদি এগারটার দিকে ঘুমাতে যান তাহলে কমপক্ষে সাড়ে সাতটায় খেতে বসে.|



সম্ভাবনা বেড়ে যায় নাম গ্যাসট্রাইটিস পাকস্থলীর ক্ষত দেখা দেয় ইনফেকশন হতে পারে আর এই রোগ হলেও আপনার পেটে জ্বালা পোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে |

আপনার পক্ষে বোঝা সম্ভব না জ্বালাপোড়া কোন কারনে হচ্ছে তাই পাকস্থলী সুস্থ রাখতে আপনাকে নিয়ম করে সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে তিন অনেকের মাঝেই একটা ধারণা আছে |


যাদের সমস্যা তাদের জন্য দুনিয়ার প্রায় সব খাবারই নিষেধ শুধুমাত্র সিদ্ধ যাওয়া ছাড়া খাবার খেতে হবে এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক না তাহলে সঠিক টা কি একজনের জন্য একেক ধরনের খাবারে সমস্যা সৃষ্টি করে |


শেষ কথা


যেসব খাবারে আপনার বুকে জ্বালা পোড়া করে আপনি শুধু সেই সব খাবার এড়িয়ে চলবেন সেটা হতে পারে এ মসলা দেয়া অতিরিক্ত তেল দেয়া খাবার আপনার প্রিয় চপ মুড়ি মুড়ি চানাচুর চটপটি এমনকি ডালভাত আপনার কোন খাবারে সমস্যা হয় |

সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে আর এড়িয়ে চলতে হবে 4 রাতের খাবারটা আগে আগেই সেরে ফেলবেন ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন চার ঘণ্টা আগে আপনি যদি এগারটার দিকে ঘুমাতে যান তাহলে কমপক্ষে সাড়ে সাতটায় খেতে বসে.|


জুন ১৮, ২০২৩

ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার তালিকা



সালাম ও শুভেচ্ছা বন্ধুরা আশা করি ভাল আছেন , তো বন্ধুরা আজকে আমরা ক্যালসিয়াম নিয়ে কথা বলব ক্যালসিয়াম নিয়ে |

আমরা ক্যালসিয়াম কিভাবে শরীরে শোষিত হয় তারপর ক্যালসিয়ামের অভাবে কি কি রোগ হতে পারে সেসব কি কি রোগের কি কি লক্ষণ তারপর আপনার কি হাসি আমরা কিভাবে হাড় ক্ষয় রোগ কিভাবে হয় |

তারপর ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ কিছু কিছু খাবারের নাম সেখানে আমি বলেছি আজকের এ পোস্টটির উদ্দেশ্য অত ডিটেইলস নাকি আমরা শুধুমাত্র ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ কতগুলো খাবারের নাম বলব কারণ আগের ভিডিওটি অনেক বড় হওয়ার কারণে অনেকেই বলছেন যে শুধুমাত্র ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নিয়ে যদি একটুখানি কথা বলে না তাদের জন্য উপকার হতো সেই কারণে  পোস্টটি বানানোর বন্ধুরা আশাকরি সঙ্গে থাকবেন আবার শুরু করার আগে কিভাবে ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের হাড় ক্ষয় রোগ হয় |


ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার তালিকা




এখানে ক্লিক করুন

সেটা আমাকে বলে দেন বাংলাদেশের বেশ প্রকট আকারে দেখা দিচ্ছে যজ্ঞকারী ফেসবুকে দেখলাম যে একজনের খুবই খারাপ পাতার হাড় ক্ষয় রোগ হয়েছে তো এখন হাড় ক্ষয় রোগ হওয়ার কারণ কিন্তু দুইটা জিনিসের অভাব হতে পারে একটা আছে.|



ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবারের অভাব আর একটা আছে ভিটামিন ডি এর অভাব তো আমরা যখন কোন ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গ্রহণ করি তখন সেটা আমাদের অর্থনীতিতে আসার পর ভিটামিন ডি এর সাহায্যে সে ক্লান্ত শরীরে শোষিত হয় রাশি ,এখন রক্তে যদি বেহা ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কম হয় ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবারের অভাবে অথবা ভিটামিন ডি এর অভাবে তখনই পিটিয়েছে নামে একটা হরমোন আছে|

যেটা প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় তখনই পিটিয়ে ধর্ম টা কি করে|


আমাদের শরীরে ক্যালসিয়াম জমা থাকে যেটা ভিটামিন ডি এর মাধ্যমে যায় সে হাত থেকে ক্যালসিয়াম টা নিয়ে এসে রক্ত নিয়ে আসে কারণটা হচ্ছে রক্তে একটা ক্যালসিয়ামের লেভেল সব সময় মেনটেন করা অতি অতি গুরুত্বপূর্ণ এই জন্য এই হাট থেকে সে ক্যালসিয়ামটা নিয়ে আসি তখনই হাড়ের ক্যালসিয়াম টা যখন কমে যায় |


তখনই হার কিপটা হাড় ক্ষয় রোগ হওয়ার কারণে হচ্ছে বন্ধুরা যে ক্যালসিয়ামের অভাব অথবা ভিটামিন ডি এর অভাব তো বন্ধুরা এই যে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবারের নাম গুলো বলার আগে আমরা একটুখানি দেখে নেই যে আমাদের শরীরে দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা কতটুকু আমাদের শরীরে.|



ক্যালসিয়ামের অভাবের লক্ষণ কি  ?


একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক চাহিদা হচ্ছে এক হাজার মিলিগ্রাম আজকে আমরা এই যে বিভিন্ন খাবারের নাম গুলো বলবো ,

সেখানে আমরা প্রতি 100 গ্রাম খাবারের মধ্যে কতটুকু ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় কত মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় |

সেটা বলব প্রতি 100 গ্রামে কত মিলিগ্রাম তাই এখানে আপনারা দেখছেন একটা খাবারের নাম দেওয়া আছে ,এবং ব্রাকেট একটা সংখ্যা দেওয়া আছে এই সংখ্যাটা হচ্ছে প্রতি 100 গ্রাম খাবারে কতটুকু মিলিগ্রাম আছে সেটা বলা আছে |

তো আমরা প্রথমেই শাকসবজির কথা বলব এই কারণে যে আপনারা হয়তো অনেকেই ভাবি যে ক্যালসিয়াম ঔষধ খেতে হবে আমার সকালে দুধ খাওয়া কি হয়েছে কেন ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ হবে |

কিন্তু বন্ধুরা আসলে দুধের থেকে আমাদের শাকসবজিতে কিন্তু অনেক বেশি ক্যালসিয়াম থাকে আমরা এখানে কয়েকটা শাক সবজির নাম বলছি তার মধ্যে জমা হচ্ছে বকফুল শাক প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে 900 মিলিগ্রাম |


আছে লালশাক আছে 330 সজনে পাতা সজনে পাতা অসম্ভব অসম্ভব একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ এটা শুধুমাত্র সামনে আরো অনেক বেশি চাহিদা পূরণ করতে পারেনি |

কিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার

75 গ্রাম কুমড়া শাক মুলা শাক তারপর আপনার কচুশাক বথুয়া শাক সর্ষে শাক পালং শাক আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ,

যেগুলো আমাদের দেশী শাক তার মধ্যে কিন্তু মোটামুটি 200 থেকে 900 মিলিগ্রাম রেঞ্জটা রয়ে গেছে |


পালংশাকের মধ্যে এক্টুখানি কনক্রেতে পালংশাক কিন্তু অন্যান্য মিডিয়া রয়েছে বেশ করেছি আপনারা বুঝতে পারছেন যে শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে |

শাকসবজির পড়ে যেসব খাবারে ক্যালসিয়াম সবথেকে সবথেকে বেশি আছে সেগুলো হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বীজ জাতীয় খাবার বা বিভিন্ন ধরনের জাতীয় খাবার আটকে বাংলায় আমি কি বলবো বানাট বাদাম জাতীয় খাবার এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে তিনি এর মধ্যে কতটা কতটা ক্যালসিয়াম আছে 100 গ্রাম 1177 মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম আছে তার কোন ভাবে খায় কিন্তু আমরা দৈনিক চাহিদা পূরণ করতে পারি.|



257 মিলিগ্রাম সূর্যমুখী সূর্যমূখীর বীজ চিনা বাদাম আখরোট কাজুবাদাম এর মধ্যে আপনাদের যেগুলো আমাদের নরমাল অ্যাভেলেবল দেশি আমাদেরই কাঠবাদাম পেস্তা বাদাম আখরোট যেতে হবে না নরমাল যেগুলো আমাদের দেশে জিনিস আছে |

তারমধ্যে কিন্তু প্রচুর যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে সূর্যমুখীর বীজ অথবা আপনার তিল তেলের মধ্যে কিন্তু আপনি চাইলে আপনার ক্যালসিয়ামের চাহিদা কিনতে কিন্তু আপনি ফোন করতে পারেন আপনাকে দামি কাঠ বাদাম খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই |

জাতীয় খাবারে ক্যালসিয়াম রাখতে হবে যে সমস্ত ডাল জাতীয় খাবারে ক্যালসিয়াম তখনই আপনি ভাবেন যদি আপনি চলে আসো আজতো খান তো আপনার দেখেন জ্ঞানীদের বুটের ডাল ছোলার ডালে কিন্তু 100 গ্রামের মধ্যে 150 মিলিগ্রাম আছে অড়হড় ডাল আছে 140 মিলিগ্রাম রাজমাতা c-130 শিমের বিচি 8375 তো আমাদের এখানে বুঝতে পারছেন যে সবগুলো কিন্তু খেতে হবে.|



যদি আপনি আসত খান তাহলে 75 মিলিগ্রাম আপনি কাশেম পাবেন কিন্তু যদি আপনি চান তা তুলে নেন তাহলে কিন্তু আপনি 2030 আরো পাবেন না |

আমরা ক্যালসিয়াম তা বুঝা যাচ্ছে যে এই ধরনের আপনার আমাদের ডালজাতীয় যেসব খাবার তাদের স্বার্থ আছে সেখানে কিন্তু মূলত ক্যালসিয়াম ঔষধ খেতে হবে আর বিশাল ঝড় কিন্তু আমাদের বাঙ্গালীদের খাওয়ার অভ্যাস নাই|

কিন্তু আমি যখন প্রথম বাইরে দেশে আসলাম বিশেষ করে যখন জাপানের কানাডায় আসলাম তখন দেখলাম যে ভারতীয় এবং পাকিস্তানিরা ওরা কিন্তু এই ডাল খেতে গিয়ে ছালসহ ডাল কিন্তু ছেলেরা কি করে তারপরে বুঝলাম |

কিন্তু বেশি পুষ্টিকর খাবার আমরা যখন খাব তখন চেষ্টা করব সহজে ডালটা সেটা কিন্তু সেটা খেতে তাহলে কিন্তু শুধু ক্যালসিয়াম না আরো অন্যান্য মিনারেল এবং ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে আপনাদের জাতীয় খাবারে ক্যালসিয়াম এর পরিমাণ কতটুকু কম কিন্তু কিছু কিছু শস্যদানা আছে ছেলেদের বেশি যেমন আছে রাগারাগি বলে একটা মানুষ আছে যারা ভারতে পাওয়া যায় কিসে কাজ করে পাঞ্জাবে সেখানে কিন্তু যথেষ্ট ক্যালসিয়াম আছে |



মিলিগ্রাম আছে 100 গ্রামের মধ্যে তারপরে কিনবা কিনবা যদিও আমাদের দেশে আগে তেমন পাওয়া যায় না

কিন্তু ইদানিং এই ডায়েটিং ডায়েটিং শুরু করে কিনে খাচ্ছে তোর কি নোয়াতে কিন্তু প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে |কিন্তু এর বাইরেও আপনার এবং চাউল বাজার একসাথে কিন্তু ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমাতে 40 মিলিগ্রাম 100 মিলিগ্রাম এর 28 ফেব্রুয়ারি আছে প্রায় 30 আর চাউল আছে|

খুবই কম দামের মধ্যে কিন্তু আমাদের যে শব্দটা বাংলা বাংলাদেশ খায় তার মধ্যে কিন্তু আসমান-জমিন একটুখানি কমিশনার একটুখানি বেশি আছে যেগুলো আমাদের সালাম এটা চলে না এভাবে শুরু কাল থেকেই 


হাড়ক্ষয় রোগের চিকিৎসা




আমাদের ভালো হয়েছে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে হলে দুধ খেতে হবে ক্যালসিয়ামের চাহিদা ফোন করিস কিন্তু কথাটা সম্পূর্ণ সম্পূর্ণ ভুল ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করার জন্য |

দুধ খেতে হবে অন্যান্য উপাদান যুক্ত আছে তো দুধের মধ্যে কিন্তু ক্যালসিয়াম শাকসবজির থেকে অনেক কম এবং বাদাম বাটা জুতার থেকেও কম দুধের মধ্যে এক গ্লাস দুধ বা 100 মিলিগ্রাম এখানে বলা হচ্ছে তার মধ্যে মাত্র 120.গ্রাম |


মিলেহে 100 গ্রামের মধ্যে 120 মিলিগ্রাম দুধ আছে তবে তবে পনিরে কিন্তু প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে কারণ যেহেতু দূর থেকে পানি বের করে দিয়ে বানানো হয় |

ফলে ক্যালসিয়াম প্রচুর ক্যালসিয়াম আমাদ্র 50-55 প্রাণিজ খাবারের মধ্যে সামুদ্রিক মাছের ক্যালসিয়াম আছে কিন্তু নদীর মাঝে কিন্তু যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম নেই|

এছাড়া মাংসের মধ্যে কিন্তু ক্যালসিয়াম খুবই কম আর একটা কথা অনেকেই আমরা ভাবি মনে করি যে জাতীয় খাবার খেলে মানে মাছের হারবার মুরগির খাবার খেলে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে|

কিন্তু আমি আমার ভুল ধারণা ছিল কিন্তু আমি গবেষণাপত্র বিভিন্ন দেখে বুঝলাম জাতীয় খাবার খেলে যে ক্যালসিয়াম শরীরে যায় সেটা কিন্তু শরীরে শোষিত হয় না ফলে জাতীয় খাবার খেলে কিন্তু আপনার বাসাটা খাবার খেলে কিন্তু আপনার ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলেও ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ হবে না|

আমরা দেখালাম প্রথম ফ্লাইটে যে বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের পাতাযুক্ত শাকসবজির ক্যালসিয়াম আছে কিন্তু সবজি যেগুলো বিশেষ করে বিভিন্ন.



জলজ সবজি যেখানে অনেক প্রচুর পানি থাকে বা মাটির নিচের সবজি সবজি হয় সেগুলোর মধ্যে কিন্তু ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক কম পাতা যুক্ত খাবার থেকে তার মধ্যে সবথেকে বেশি দোষ আছে প্রায় 86 মিলিগ্রাম 100 গ্রাম ভারতের মধ্যে সীমা আছে 770 মিলিগ্রাম মেটে আলু চাষে 45 মিলিগ্রাম কচুর ডাটা 40 মিলিগ্রাম কিছুটা আছে কিন্তু আর বাকি যে অন্যান্য |


আমাদের দৈনন্দিন শাক-সবজি আছে গাজর মুলা বেগুন করলা আলুর মোটামুটি 30 10 থেকে 30 মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ক্যালসিয়াম নেই বন্ধুরা ফলের মধ্যে ক্যালসিয়াম আছে কিনা বানিয়েছে যে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ দশটি খাবারের নাম হচ্ছে সেখানে প্রথম দেখলাম যে আপেল কমলা লেবু এসব আছে কিন্তু সেগুলো থেকে বন্ধুরা সত্যি সত্যি খুবই কম.|



শুধুমাত্র শুকনা কিছু ফলের মধ্যে আছে এবং সেগুলো সামন্ত আমাদের দেশি ফল না বাইরের দেশে ফলে কিছুটা আছে 300 মিলিগ্রাম 100 গ্রামের মধ্যে শুকনা খেজুর গাছে 71 মিলিগ্রাম 100 গ্রাম খেজুরে কিসমিস আছে 75 মিলিগ্রাম আমাদের দেশে খাবারের মধ্যে এর মধ্যে ভিতর জইমা 500 মিলিগ্রাম আছে |


শেষ কথা


বন্ধুরে তেমন ক্যালশিয়াম নাই এইটা আমার উদ্দেশ্য ছিল যে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবারের নাম গুলো বলা এবং সেখানে শুধু আপনাদের কে একটু বুঝিয়ে বল যে বন্ধুরা ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণের জন্য আপনাদেরকে দামি খাবার এর কোন প্রয়োজন নেই আপনারা যদি যথেষ্ট পরিমাণ.


জুন ১৭, ২০২৩

কিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার



আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন, সবাই ভাল আছেন আজকে আমরা কথা বলবো  কিকিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার বিষয় নিয়ে পৃথিবীতে কি খাবার খেলে আমাদের ক্ষতি হয় এবং আপনার কোন মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন




 

প্রতিনিয়ত কিডনি রুগের সমস্যা বাড়ছে আমাদের,  জীবনে আমাদের চোখের সামনে কিডনি রোগের সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে তাই আমরা কি কি থেকে কিভাবে ভালোভাবে সমাধান পেতে পারি |


    সারা পৃথিবীতে কিডনি ডিজিজ এর পেশেন্টের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে ,সেটাই যথেষ্ট চিন্তার কারণ কিডনি ডিজিজ এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে |

    তার মধ্যে প্রধান এবং উল্লেখযোগ্য কারণ হলো -আর ম্যানেজ ডায়াবেটিস আপনি শুনলে হয়তো অবাক হয়ে যাবে ডায়াবেটিক পেশেন্টের ফোরটি পার্সেন্ট মানুষ অর্থাৎ- প্রত্যেক পাঁচজন ডায়াবেটিক পেশেন্ট এর মধ্যে দুইজন মানুষ পরবর্তী ক্ষেত্রে গিয়ে কিডনির রোগে ভুগতে থাকেন |

    তাই যে সমস্ত ডায়াবেটিক পেশেন্ট রয়েছেন বাপ্পির ডায়াবেটিক পেশেন্ট রয়েছেন তাদের অবশ্যই এই বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন ডায়াবেটিস ছাড়াও কিডনি ডিজিজ এর আরো বেশ কিছু কারণ রয়েছে যেমন আপনার অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্যপান হেপাটাইটিস-সি এইচআইভি হার্ট ডিজিজ ইত্যাদি ইত্যাদি |

    যদি আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে তাহলে আপনার ট্রিটমেন্টের সাথে সাথে আপনার খাবার দাবারের দিকে কিন্তু অবশ্যই নজর দেওয়া উচিত আমরা বলে থাকি যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনার.

    কিডনির জন্য ক্ষতিকর খাবার


    আজ আমরা আলোচনা করে নেব এমন কিছু খাবারের বিষয়ে যে খাবারগুলো আপনাদের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং যে খাবারগুলো কি আমরা হেলদি ফুড হিসাবে জানি কিন্তু সে খাবারগুলি একজন কিডনি পেশেন্ট এর জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকারক আমরা প্রথম.
    খাবারটি কথা বলব সেটি হলো কলা আমরা বলে থাকি আপনি যদি একজন হাইপারটেনশনের প্রেসেন্ট হয়ে থাকেন বা যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা রয়েছে তাহলে পোলা কিন্তু আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার কিন্তু যদি আপনি জানেন |

    সর্বপ্রথম নজর দেন আর এইখানে ভুল করে বসেন পেশেন্টরা তার কারণ এমন বেশ কিছু খাবার রয়েছে যে সমস্ত খাবারগুলি আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে যথেষ্ট উপকারী কিন্তু সেই সমস্ত খাবারগুলি কিডনি পেশেন্ট এর জন্য হানিকারক হতে পারে তাই ভুল করে কিডনি পেশেন্ট সে সমস্ত খাবার খেয়ে নিজের অজান্তে বিপদ ডেকে নিয়ে আসেন |

    আপনি একদম চিকেন ই প্রেসেন্ট অর্থাৎ আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে তাহলে কিন্তু আপনাকে কলা অবশ্যই আপলোড করা উচিত |

    তার কারণ গলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম একটি মিডিয়াম সাইজের কলার মধ্যে চারশো কুড়ি থেকে 400 25 মিলিগ্রাম পর্যন্ত পটাশিয়াম থাকে |

    কিডনির সমস্যা

    আপনার যদি কিডনির সমস্যা রয়েছে তাহলে আপনার কিডনি আপনার শরীরের অতিরিক্ত পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে , সে পটাশিয়াম থেকে আপনার ইউরিন এর মাধ্যমে ফিল্টার করে বাইরে বের করে দিতে পারে না তার ফলে ধীরে ধীরে আপনার রক্তে কিন্তু পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকে |

    আপনার রক্তে যখন পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকে তখন আপনার কিডনির সমস্যার সাথে সাথে সেই পটাশিয়াম আপনার হার্টের মা ছেলের উপরে প্রভাব ফেলে তার ফলে বিভিন্ন প্রকারের হার্টের সমস্যা.|


    এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে শুধু কলা কেন এরকম বিভিন্ন ফল রয়েছে যে সমস্ত ফলের মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা প্রচুর পরিমাণে থাকে তাই আপনি যদি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে যেকোনো খাবার খাবার আগে আপনি অবশ্য মেক সিওর করে নেবেন দেশে খাবারের মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা কত রয়েছে |

    আপনি ফল হিসেবে আনারস খেতে পারেন আনারসের মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা তুলনামূলক অনেকটা কম থাকে দুধ হল বিভিন্ন প্রকারের ভিটামিন প্রোটিন এবং বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টিগুণের ভান্ডার |

    আপনার হার এবং মাংসপেশিকে মজবুত করার জন্য আপনাকে দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় কিন্তু যদি আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে বা যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু দুধ এবং যে কোন প্রকারের দুগ্ধজাতীয় জিনিস অর্থাৎ মিল্ক এবং মিল্ক প্রোডাক্ট থেকে আপনাকে দূরে থাকতে হবে তার কারণ মেয়েলোক এবং মিল্ক প্রোডাক্ট এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস. |



    প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যেগুলি আপনার কিডনির জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকারক সাবেত হতে পারে এক কাপ দুধে অর্থাৎ 240ml দুধের মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 340 মিলিগ্রাম এবং ফসফরাস থাকে 222 মিলিগ্রাম আপনার কিডনি আপনার শরীরের অতিরিক্ত পটাশিয়াম এবং ফসফরাস কে ফিল্টার করে |

    যখন শরীরের বাইরে বের করে দিতে পারে না তখন আপনার রক্তে ধীরে ধীরে পটাশিয়াম এবং ফসফরাস এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে আমরা এর আগেই আলোচনা করলাম |

    আমাদের রক্তে যখন পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে যায় তখন কি কি সমস্যা হতে পারে কিন্তু আপনার রক্তে যদি ফসফরাস এর মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে যায় অতিরিক্ত ফসফরাস , আপনার হাড়ের থেকে ক্যালসিয়াম কে ধীরেধীরে শোষণ করে নেয় আর আপনার হাড়ের থেকে যখন ক্যালসিয়াম ধীরে ধীরে কমে যায় তখন আপনার হার্ট দুর্বল হয়ে যায় আপনার হার ভঙ্গুর হয়ে যায় এছাড়া দুধের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ওই 240ml দুধের মধ্যে প্রায় আট গ্রাম পর্যন্ত.,

    ওপেন থাকে এবং অতিরিক্ত প্রোটিন আপনার কিডনির জন্য কিন্তু যথেষ্ট ক্ষতিকারক |

    যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে যে কোন প্রকারের দুধ এবং দুগ্ধজাত ইও জিনিস অর্থাৎ আপনার চানা পনির দই মাখন এ সমস্ত জিনিস থাকে কিন্তু আপনাকে অবশ্যই দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে |

    আপনার কিডনি যদি স্বাভাবিক না হয়ে থাকে তাহলে আলু এবং মিষ্টি আলু কিন্তু আপনাকে ভাবনা-চিন্তা করে খেতে হবে তার কারণ আলু এবং মিষ্টি আলুর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম একটা মিডিয়াম সাইজের আলু- অর্থাৎ মোটামুটি মনে করুন একটা দেড়শ গ্রাম আলুর মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 625 মিলিগ্রামের মত এবং একটি মিষ্টি আলু অর্থাৎ আপনার 125 গ্রামের একটি মিষ্টি আলুর মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 543 মিলিগ্রাম এর মত কিন্তু আলু যদি আপনার প্রিয় সবজি হয়ে থাকে তাহলে আলু খাওয়ার জন্য আপনাকে পটাশিয়াম লিচিং বা ডাবল প্রসেস মেন্টেন করতে হবে.|



    আশিয়ান বিগ কুক মেথড হলো আপনি একটি আলু নিয়ে আলু থেকে পাতলা পাতলা করে এবং ছোট্ট ছোট্ট করে কেটে নিয়ে কমপক্ষে 4 ঘন্টা জলের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন গবেষণায় দেখা গেছে এই পাতলা পাতলা করে এবং ছোট্ট ছোট্ট করে যদি আপনি আলু কেটে নিয়ে সেই আলোকে চার ঘণ্টা ধরে জলে ভিজিয়ে রাখেন তাহলে ধীরে ধীরে তার থেকে কিন্তু পটাশিয়ামের মাত্রা কমে আসে এবং আলু ডেকে নিয়ে কমপক্ষে 10 মিনিট পর্যন্ত বয়েল করুন গবেষণায় দেখা গেছে যদি আপনি আলু কে 10 মিনিট পর্যন্ত বয়েল করতে পারেন |

    সেই আলুর মধ্যে যত পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে ফিফটি পার্সেন্ট পর্যন্ত পটাশিয়াম কমে যায় তাই যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন অথচ আপনার প্রিয় সবজি তাহলে অবশ্যই আপনাকে পটাশিয়াম লিচিং এবং ব্যাপক মেথড মেন্টেন করতে হবে ,পরবর্তীতে সবজিটির কথা আপনাকে বলব আপনার শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য ডাক্তারবাবুরা এবং ডায়েটিশিয়ান দা প্রাইস অফ জেটি খাবার পর.
    দিয়ে থাকেন কিন্তু এই সবজিটি কিডনি পেশেন্ট এর জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকারক |

    আমরা যেসব জিতের কথা বলব সেটি হল টমেটো বেগুন টমেটো হলো বিভিন্ন প্রকারের ভিটামিন এবং মিনারেলের ভান্ডার কিন্তু টমেটোর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম|

    তাই যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে টমেটো অ্যাভয়েড করা উচিত এক্ষেত্রেও পেশেন্টরা একটি ভুল করে থাকেন, তারা কি করে তারা টমেটো খান্না কিন্তু টমেটো সস খান|

    আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি একসেপ্ট টমেটোর মধ্যে যত পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে সমপরিমাণ টমেটো সস এর মধ্যে তার দ্বিগুণ পটাশিয়াম থাকে তাই আপনি টমেটো এবং টমেটো সসের থেকে অবশ্যই দূরে থাকার চেষ্টা করবেন যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন আমরা সবাই জানি পালংশাক কিন্তু পুষ্টিগুণের ভান্ডার আপনার শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে আপনি পালংশাক খেয়ে থাকেন কিন্তু পালং শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় আপনার যদি কিডনি.
    রয়েছে |

    তাহলে কিন্তু আপনাকে পালংশাক যতটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে দেখুন যতটা সম্ভব কম বলতে এই প্রসঙ্গে আপনাদেরকে একটা কথা বলে রাখি মনে করুন হাফ কাপ কাপ আলম তার মধ্যে যত পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে |

    সে পালং চিকেন রান্না করে দেবার পরে এক টেবিল-চামচ আয়তনে দাঁড়ায় মিত্রের জেনে রাখা ভালো হাফ কাপ কাঁচা পালং শাকের মধ্যে যত পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে ওই 1 টেবিল-চামচ রান্না করা পালং শাকের মধ্যেও কিন্তু সম পরিমান পটাশিয়াম থাকে চিকিৎসকরা যদি আপনাকে হাত কাবার পরামর্শ দিয়ে থাকেন সেটি অবশ্যই হাফ কাপ কাঁচা পালংশাক সেটা কখনোই হাফ কাপ রান্না পালংশাক নয় এবিষয়ে কিন্তু কখনো ভুল করবেন না |

    এছাড়া পালং শাক এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট যে অক্সালেট আপনার কিডনি স্টোন ফরমেশনে সাহায্য করে তাই যদি আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু পালংশাক থেকে আপনি যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করবেন|

    আপনার কিসমিস এবং খেজুর খুব প্রিয় ড্রাই ফুড হয়ে থাকে কিন্তু যদি আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে |

    তাহলে কিন্তু এই ফলগুলি আপনি ভুলেও খাবেন না তার কারণ কিসমিস এবং খেজুরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম 100 গ্রাম কিসমিসে মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 750 মিলি গ্রামের মতো এবং চারটে খেজুরের মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 668 মিলিগ্রাম এর মত তাই কিসমিস এবং খেজুর থেকে আপনি যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করবেন|

    মার্কেটে যে সমস্ত ready-to-eat পটেটো চিপস পাওয়া যায় তার মধ্যে কোন প্রকারের কোন পুষ্টিগুণ তো থাকেই না উপরন্তু তার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লবণ আর্টিফিশিয়াল কালার আর্টিফিশিয়াল ফ্লাওয়ার তার সাথে সাথে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের প্রিজারভেটিভ যেগুলি আপনার সার্বিক সাস্থের সাথে সাথে আপনার কিডনির জন্য কিন্তু যথেষ্ট ক্ষতিকারক আপনি যদি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনাকে সোডিয়াম ইনটেক যতটা সম্ভব কম করে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে.|

    কিসমিস এবং খেজুর খুব প্রিয় ড্রাই ফুড হয়ে থাকে কিন্তু যদি আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে তাহলে কিন্তু এই ফলগুলি আপনি ভুলেও খাবেন না |

    তার কারণ কিসমিস এবং খেজুরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম 100 গ্রাম কিসমিসে মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 750 মিলি গ্রামের মতো এবং চারটে খেজুরের মধ্যে পটাশিয়াম থাকে 668 মিলিগ্রাম এর মত তাই কিসমিস এবং খেজুর থেকে আপনি যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করবেন |

    মার্কেটে যে সমস্ত ready-to-eat পটেটো চিপস পাওয়া যায় তার মধ্যে কোন প্রকারের কোন পুষ্টিগুণ তো থাকেই না উপরন্তু তার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লবণ আর্টিফিশিয়াল কালার আর্টিফিশিয়াল ফ্লাওয়ার তার সাথে সাথে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের প্রিজারভেটিভ যেগুলি আপনার সার্বিক সাস্থের সাথে সাথে আপনার কিডনির জন্য কিন্তু যথেষ্ট ক্ষতিকারক |

    আপনি যদি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনাকে সোডিয়াম ইনটেক যতটা সম্ভব কম করে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে.|

    ইনটেক বলতে খাদ্য লবন আপনাকে যতটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে তার কারণ খাদ্য লবণ আমরা যে খায় সে খাদ্য লবন এর মাধ্যমে সোডিয়াম আমাদের শরীরে প্রবেশ করে এবং আমাদের কিডনি যদি আমাদের শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়ামকে ফিল্টার করে শরীরের বাইরে বের করে দিতে না |

    পারে তখন ধীরে ধীরে আমাদের রক্তের মধ্যে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকে এবং আমাদের রক্তে যখন সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকে তখন আমাদের শরীরে ওয়াটার রিটেন সেনের মতো সমস্যা দেখতে পাওয়া যায় তার ফলে ধীরে ধীরে আমাদের ব্লাডের ভলিউম বাড়তে থাকে |

    এবং ব্লাড এর ভলিউম বাড়ানোর জন্য পরবর্তী ক্ষেত্রে কি আপনার হাইপারটেনশনের মতন সমস্যা বা হার্ট ডিজিজ এর মতো সমস্যা দেখতে পাওয়া যেতে পারে তাই আপনি যদি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে পটেটো চিপস চানাচুর ভুজিয়া এই সমস্ত জিনিস গুলি না খেতে পারলে ভালো হয় বার্গার চিকেন পিজ্জা হটডগ শশা যে এই সমস্ত খাবারগুলো পছন্দ করেন না এরকম মানুষের খুবই অভাব কিন্তু আপনার জেনে রাখা ভালো.|

    আপনি কি চিকেন বার্গার চিকেন পিজ্জা বড্ড খাচ্ছেন এবং তার মধ্যে চিকেনের টুকুর আপনি পেয়ে থাকেন|

    সেগুলো কিন্তু প্রত্যেকটি প্রসেসিং মিট প্রসেসিং মানে অতিরিক্ত পরিমাণে সোডিয়াম অতিরিক্ত পরিমাণে প্রিজারভেটিভ এবং অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্লেভার তাই আপনাকে কিন্তু সেই সমস্ত প্রসেসিং মিনিট থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে আপনি একজন কিডনি পেশেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে সারাদিনে আপনার সোডিয়াম ইন্তেগের লিমিট রোল 12.5 গ্রাম অর্থাৎ 2.3 গ্রাম খাদ্য লবণের আপনার সারা দিন চলতে হবে সেটি সকালবেলা ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে |

    হার্টের রোগীর খাবার তালিকা

    আপনার রাত্রে ডিনার পর্যন্ত আপনি সারাদিনে যা ডাল সবজি খাবেন সমস্ত প্রকার ডাল এবং সবজির মধ্যে যত পরিমাণ লবণ ব্যবহার করবেন সমস্ত লবণ মিলিয়ে মাত্র 2.3 গ্রাম লবণের মধ্যে আপনাকে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে|

    তাই আপনি যদি একজন ক্রনিক কিডনি ডিজিজ এর প্রেসেন্ট হয়ে থাকেন আমি এতক্ষণ ধরে.
    সমস্ত খাবার গুলির কথা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম সেই খাবারগুলো যতটা সম্ভব এভোয়েট করে চলার চেষ্টা করবেন সম্ভব হলে বন্ধ করে দিতে পারলে ভালো হয় |

    আপনাদের মূল্যবান মতামত নিচের কমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না আর আমাদের কাছ থেকে এরকম পরবর্তী ক্ষেত্রে হেল্প নিতে পারেন সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন ধন্যবাদ.


    জুন ১৬, ২০২৩

    হার্টের রোগীর খাবার তালিকা

     

    হার্টের রোগীর খাবার তালিকা

    আসসালামু আলাইকুম কথা বলা হয়েছে কথাগুলো সেগুলো হচ্ছে আপনার হার্টের রোগী যারা কিভাবে রাখবেন হার্টের রোগীদের জন্য খাবার তালিকা সমুহ নিচে দেয়া


    বহির বিশ্বে দিন দিন  রোগের সংখ্যা বাড়ছে

    হার্টের রোগীর

    হার্টের রোগী  ঘুম থেকে উঠে আধাঘণ্টা থেকে এক ঘন্টা আমাদেরকে এফএম মেদিসাইন নির্ভীক হাঁটা চলাফেরা গুলি করতে হবে রোদে আমাদের কমপক্ষে 10 মিনিট শরীরের প্রতিরোধ লাগাইতে হবে.


    সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের 8 থেকে 10 ঘন্টা.

    পরিষ্কার বা ফ্রেশ জল খেতে হবে.

    তারপর হচ্ছে
     আমাদেরকে সব সময় আনন্দঘন পরিবেশে থাকতে হবে রাগ হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করতে হবে আমাদেরকে প্রতিদিন সকাল-বিকাল চিন্তা করতে হবে নিজের চিন্তা বাদ দিতে হবে সকাল-বিকাল আমাদেরকে মেডিসিন বা ধ্যান করতে হবে আমাদের দিনের মধ্যে 15 ফেব 20 বা হাসতে হবে অন্ড 15 মিনিট.

    আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ রাগকে কমাতে হবে এবং আমার খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হচ্ছে আমাদের অ্যালকালি মাছ মাংস ডিম দুধ আটা ময়দা কি থেকে হচ্ছে এইচটিসি সিম ব্যালেন্স ব্যালেন্স করতে হবে আমাদের সকালবেলা উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম জলে লেবুর রস ও মধু খায়.


    তারপরে আমাদেরকে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে আমাদেরকে ফ্রুটস খেতে হবে বোলি ওর ইনটু টেন কার দুধের কেজি ওজন হয় তাকে 600 গ্রাম খেতে হবে 80 কেজি 800 গ্রাম পর্নভেদো এটি আমার সকালে নাস্তা এখানে রুটি এগুলো চলবে না.


    দুপুরে এবং রাতে খাওয়ার পূর্বে আমাদেরকে খেতে হবে এক গ্লাস কুসুম গরম জল লেবুর রস মধু অথবা এক চামচ আপেল সিডার ভিনেগার.

    এবং আমাদের যে খাওয়া খেতে হবে তিনটে প্লেটে প্রথম ফ্লাইটে খেতে হবে.


    আমাদের ধনেপাতা পুদিনাপাতা লেটুসপাতা বাদাম কিসমিস একটা ছাপ খেতে বোর্ডের ওয়েবসাইট.


    কার্বনের সুপ্ত থাকে তা সত্ত্বেও গ্রাম 60 কেজি দাম দিতে হবে আমাদের রব ফটো শসা গাজর.


    লেটুস তারপরে এই যে জিনিস 155 কেজি 300 গ্রাম 80 কেজি 400 গ্রাম আমাদেরকে ছাড়া খেতে হবে.


    তৃতীয় প্লেটে খাই তবে আমাদের রংধনু সবজি মুলা টমেটো লাল কমলা হলুদ বেগুনি বেগুনি মেজেন্টা এই ধরনের সবজি খেতে খেতে হবে না চলো নরমাল ভাত খেত এটা কোন অসুবিধা নেই.


    তাছাড়া যদি আমাদের মাঝখানে যদি ক্ষুধা লাগে তখন খাইতে হওয়া যাবে ফ্রুটস আর্নার্স বাদাম যেকোনো ধরনের বাদাম খাওয়া যাবে আমরা অনেকেই অবস্থা.

    এখন আমরা এই চা কফি খেলে ব্লাড প্রেসার বাড়ে ডায়াবেটিস বাড়ে হাত সবকিছু বাদে এই চার পরিবর্তে আমাদের খায় তো হাটি হাটি হচ্ছে চার কাপ গরম জলে.


    বারোটা পূজা বাতা আটটা তুলসীপাতা 4:20 গ্রাম দারু চিনি চিনি খাওয়া যাবে না এগুলোকে 57 মিনিট সিদ্ধ করতে হবে সিদ্ধ করে নামে লেবুর রস যেটা খাইতে খাইতে পারেন এটা আপনার ড্রাইভিং কবে জন্মেছ কবে প্লে স্টোর সবকিছু সবকিছু আমাদের খাদ্যভ্যাস আপনারা যদি.


    প্রথমত যদি মধ্যে আমাদের ব্যালেন্স নেওয়ার ডায়াবেটিস না কমবে ব্লাড প্রেসার কমবে কমবে হার্টের ব্যথা কমবে আমাকে খেতে হবে কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস যখন ইতিহাস হয়ে যাবে তখন শব্দ একদিন করে আমাদেরকে মাছ মাংস খাওয়া যাবে যদি আমরা যদি অবলম্বন করি


    আমার ওই যোগব্যায়াম প্রাণীর সাথে খাদ্য বর্জন চেঞ্জ করতে পারি তাহলে আমরা এই হার্ডডিস্ক থেকে প্রতিরোধ এবং প্রতিকার করা সম্ভব.

    শেষ কথা  এই সকল বিষয়ে মেনে চলুন ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খান

    জুন ০৮, ২০২৩

    ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার





    ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার


      ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার



      কোন কোন খাবার থেকে আপনি সবচেয়ে বেশি ক্যালসিয়াম  পাবেন ,ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা আমাদের শরীরের যে খনিজ পদার্পণের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমাদের হাড়ের কাঠামো বটেই বেশিগুলো তত্ত্বের রাখতে বা সিস্টেমগুলো কার্যক্রমে ও রাখতে চেয়েছিলাম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে  | 


      আমাদের ধ্বনিত খাদ্য তালিকায় ক্যালসিয়াম  রয়েছে কিনা সেগুলো আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে ,কেননা ক্যালসিয়াম খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |


      একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন এক হাজার কিলোগ্রাম ক্যালসিয়াম  প্রয়োজন আছে জেনে নেই কিভাবে কোন খাবার থেকে ক্যালসিয়াম বেশি করে পেতে পারেন |

      দুধ


      প্রথমে আমাদের দুধের কথাই বলব কিন্তু আমাদের অনেক কার্যকর ক্যালসিয়াম প্রিয় খাবার ২৭০ গ্রাম ক্যালসিয়াম পাবেন , ভিটামিন ডি এর সাথে থাকে সব মিলিয়ে আমাদের দুধের অনেক গুরুত্বপূর্ণ |


      চিজ



      আমাদের খাদ্য তালিকায় ঠিক রাখতে চিজ  খেতে পারেন চিজ তোমাদের খাদ্য তালিকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে , প্রোটিন ভিটামিন ক্যালসিয়াম ছাড়া ফসফরাজিং এর মত মিনারের ক্যালসিয়াম  ছড়াবে তাই প্রতিনিয়ত খাদ্য তালিকা  চিজ রাখতে পারেন |


      দই


      খাদ্য তালিকা দই রাখা যায় আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাদ্য যারা হজম করতে পারেনা তাদের জন্য আদর্শ হচ্ছে আদর্শ অপশন হচ্ছে  দই এক কাপ দই  ক্যালসিয়ামের পরিমাণ  বারিয়ে দেই


      ডাল


      ডাল হচ্ছে ক্যালসিয়ামের  প্রদান আঁশ সয়াবিন, ছোলা সোয়াবিনের দানা নানান ধরনের ডালের পশুর ক্যালসিয়াম মিলে এক কাপ রান্না পাওয়া যায় তাই আমাদের ক্যালসিয়াম খুবই অন্যান্যভাবে প্রয়োজন|


      সবুজ সবজি


      সবুজ সবজি আমাদের প্রয়োজন এতে অনেক ধরনের ক্যালসিয়াম থাকে যেমন পালন শাঁকে বাঁধা কপি ফুলকপি ক্যালসিয়াম যোগায় নানান ধরনের ক্যাশিয়ার আমাদের শরীরে খাদ্য তালিকা  থাকা প্রয়োজন |






       শুকনো খাবার



      ফল খেজুর বাদাম বেশ ভালো পরিমান ক্যালসিয়াম মিলে শুক্রবাদাম খাওয়া আগে একমাত্র পশ্চিম বৃদ্ধির পরামর্শ নিলে ভালো করবেন অতিরিক্ত বাচ্চা খেলে ওজন বাড়তে পারে এতে আমাদের শরীরে অনেককে আমি ঘাটতিপূর্ণ হতে পারে |


      সামুদ্রিক মাছ বা ডিম মাংস



      সামুদ্রিক মাছ বা ডিম মাংস যারা মানুষের ঘাটতি বা আনুশ খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য ক্যালসিয়ামের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক মাছ ডিম মাংস নানান ধরনের খাদ্য তালিকায় শুকনো খাবার গুলো এবং সামুদ্রিক মাছগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আব্দান রাখে |

       শেষ কথা 

      অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম থেকে কম্পিটিশন হতে পারে কিডনিতে চোখ জমাতে বিচিত্র কিছু নয় আয়রন ও জিংকের বাধা সৃষ্টি করে খাদ্য তালিকা দেখিয়ে নিবেন  ,

       সবাই ভালো থাকবেন আমাদের পেজ গুলো বেশি বেশি শেয়ার করবেন|
















       

      মে ৩১, ২০২৩

      ডাবের পানির উপকারিতা ও অপকারিতা

       ডাবের পানির উপকারিতা ও অপকারিতা -  আসসালামু আলাইকুম ,  সবাই কেমন আসেন ,  আশা করি  সবাই ভাল আসেন | আজকে আমরা কথা বলবো ডাবের কথা , ডাব  আমাদের সরিলের অনেক উপকার  হয় | তা নিয়ে আলোচনা করা হলো -  বিশেষ করে ডাবের পানির গুনাগুণ রয়েছে |
      ডাবের পানির উপকারিতা ও অপকারিতা

      ডাবের পানির উপকারিতা 

      ডাবের পানির উপকারিতা বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অনেক উপকার আসেন  ও গরবে থাকা সন্থানের অনেক উপকার হই, 

       ডাবের পানিতে  ত্বকের কালো দাগ কমে যায় 

      ডাবের পানিতে সরিলে ভারশ্মমু রখা করে

       ডাবে ক্যালসিয়াম পটাসিয়াম  থাকে , 

      আপনার শরিল্কে গ্যাসটিক রক্ষা করবে

      শেষ কথা  - ডাব  আমাদের শরিলের অনেক কাজে আসে  ডাব খেলে  আপনার মনটা ফ্রেসশ থাকবে  |


      মে ২৮, ২০২৩

      কীভাবে বিনামূল্যে ক্যানভা প্রো পাবেন

       কীভাবে বিনামূল্যে ক্যানভা প্রো পাবেন-  আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আসেন ? আশা করি সবাই ভাল আসেন ,আল্লাহর আশেষ   রহমতে আমিও ভাল আছি|  আজকে আমরা আলোচনা করব  ক্যানভা প্রো  নিয়ে কিভাবে আপনিও ক্যানভা প্রো  অ্যাকাউন্ট ফ্রীতে করবেন , আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন ,

      কীভাবে বিনামূল্যে ক্যানভা প্রো পাবেন

       ক্যানভা প্রো  নামটি কম বেশি  সকলেই শুনে থাকি আর আমাদের সবারই ইচছা জাগে ক্যানভা প্রো  একটা অ্যাকাউন্ট করা জা ধারা প্রুমিউয়াম সার্ভিস পাওয়া যায়, 
       আজকাল ফেসবুকে  বেশী অ্যাড আসে ক্যানভা প্রো  থেকে  ৫০-১০০ টাকা ক্যানভা প্রো  অ্যাকাউন্ট পাওয়া যায়  , আই সব দেখে নিজের মনে অনেক প্রশ্নও জাগে য  এমন করে অদের মত আমিও যজুদি
      ক্যানভা  অ্যাকাউন্ট বিক্রি করতে পারতাম , তাহলে নিসশ্চয়ই  খুব ভাল হত তাই না ,

      হুম বন্দু আপনি ক্যানভা প্রো   অ্যাকাউন্ট ফ্রীতে করে ফেসবুকে বিক্রি করতে পারবেন কোন চিন্তা নেই আপনিও পাবে আপনার কাছে থাকা মোবাইল ও কম্পিউটার দিয়ে একদম ফ্রীতে  ক্যানভা  অ্যাকাউন্ট করে কিচছু টাকা আই করতেও পারবেন এবং  নিজেই  ব্যাবহার করুন |


       কিভাবে  ক্যানভা প্রো  অ্যাকাউন্ট খুলবেন

       প্রথমে আপনি আপনার হাতে থাকা  মোবাইল /  কম্পিউটার  গিয়ে যে কোন একটি ব্রাওসারে জাবেন ,
       এইখানে ক্লিক করুন  তারপর  signup  করুন আপনি আপনার ইমেইল দিয়ে  আপনার ইচছে মত  পাসস্বরদ দিন    signup  হয়ে গেল এখন আপনি  আপনার  অ্যাকাউন্ট উপরে দেখুন   plans and pricing 
       লেখা  আছে  ঐখানে  ক্লিক করুন  দেখুন   লেখা আসে (  free - pro- tream- education)  আপনি education   ক্লিক করুন ,
        দেখুন  teacher  verified  ক্লিক করুন আর আপনার কাসে থাকা যে কোন  TEACHER  ID  কার্ড দিয়ে আতথবা গুগল থেকে সার্চ করে ফেক  একটা  ইমেজ ডাউনলোড  করে  অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ করুন  , 
       আইটা কাজ মনে করে শেষ | 
       আমি  যেভাবে বল্লাম ঠিক সেই  ভাবে করে  ফেসবকে ইনঞ্চমে করছে  সবাই, আই অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্রু লেভেল এর সব কাজ করা যায় 

       শেষ কথা
        ঐভাবে যদি  কাজ করা যাই  তাহলে ত  খুব ভালই হই তাই না  আর যদি আপনার অ্যাকাউন্ট  কোন প্রকার না  হই বা অরা যদি নিয়ম পালটিয়ে দেই আপনি   ইউটিউব  যাবেন  আশা করি   কিছুতা বুঝাইতে পারছি আপনাদেরকে  সবাই ভাল থাকবেন সবাইক ধন্যবাদ |
      মে ২১, ২০২৩

      এলার্জি কি খেলে ভালো হয়?এলার্জি কি

       

      এলার্জি কি খেলে ভালো হয়?এলার্জি কি

      এলার্জি কি খেলে ভালো হয়?এলার্জি কি -  আসসালামু আলাইকুম   সবাই কেমন আসেন,   আসা করি সবাই ভাল আসেন ?

      আজকে কথা বলবো ?  এলার্জি  নিয়ে  এলার্জি   শব্দের অর্থ পরিবতিত প্রতিক্রিয়া , বলে থাকে

      আজকে সেই এলার্জি  নিয়ে এ আলোচনা করবো |






      আমরা সবাই কম বেশি  এলার্জির কথা শুনেছি  কিন্তু সবার এই বিষয়ে  সঠিক ধারনা নেই , আমাদের এই সম্পর্কে স্ঠিক ধারনা থাকার  অতি জরুরি আসে |

       আজকাল আমরা বিভিন্ন ধরণের চর্্মরোগে ভুগি  যেমন  =  একজিমা  জন্য এই আলারজি দায়ি, তাই  আর দেরি না করে  চলুন এবার যেনে নিওয়া যাক এলার্জি  কি ?

      এলার্জি কি?

       এলার্জি -যার অর্থ  পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া। নির্ধারিত কিছু খাবার,ইত্যাদির ফলে শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাকে সাধারণভাবে আমরা এলার্জি বলে চিনে থাকি । 

      এলার্জি কি ছোঁয়াচে রোগ

      আজকাল আমাদের শরীরের জন্য সাধারন  ক্ষতিকর নয় এমন ক্ষতিকর বস্তুর প্রতি শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে অ্যালার্জি 
       আমাদের দেশে আজকাল  অগণিত মানুষের কাছে অসহনীয়  রোগের নাম হচ্ছে এলার্জি । কারো কারো ক্ষেত্রে এ সমস্যা সামান্য আবার কারো ক্ষেত্রে এটি জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলে । 

      এলার্জি কি খেলে হয়?

       আমাদের  প্রতিনিয়ত  খাবারের তালিকায় নানান ধরনণের খাবার থাকে , সেই সকল খাবারের পাশাপাশী যেমন – গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ ইত্যাদি কারণে গায়ে চুলকানি শুরু হলে বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে উঠলে ধরে নিতে হবে আপনার অ্যালার্জি আছে। 

      অ্যালার্জি কেন হয়ই ?

       
      আমরা অনেকেই জানিনা  অ্যালার্জি কেন হয়- নানান ধরণের রোগের পাশাপাশি আকজিমা ও
      চর্ম  রোগের কারণে অ্যালার্জি হথে পারে |
      এইটি একটি ছোঁয়াচে রোগ  যা সবার মাজের ছড়াতে পারে তাই আমরা সবাই খুব খেয়াল রাখবো যেন আমাদের মাঝে না ছড়াতে না পারে ?

       এলার্জি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় কি?



      এলার্জি থেকে মুক্তি পাওয়ার  যায় তবে আকেবারে সারে না  , এলার্জি  তবে  আপনার প্রথম যখন বুঝবেন আপনার অ্যালার্জি হইছে তখন ডাক্তার এর সাথে আলোচনা করবেন |

      অ্যালার্জি হলে নানান খাবার থেকে দূরে থাকতে হয় , যেমন- গরুর মাংস , পুইশাক, চিংড়ি মাছ,  বেগুনশহ নানান খাবার না খেয়ে থাকতে হবে | 

       

      হার্টের রোগীর খাবার তালিকা

      বন্ধুরা আজকে যে সকল বিষয়ে আলোচনা করা হল তা সবাই জানলাম অ্যালার্জি একটি ছোঁয়াচে রোগ
      তা থেকে সবাই সাব্ধানে থাকার চেষ্টা করবো আশা করি আমাদের চেষ্টা সফল হবে |

      শেষ কথা  -  আমাদের দেহের নানান রোগের মাঝে অ্যালার্জি একটি চর্ম রোগ তা থেকে আপনি ও আপনার পরিবারকে সহ সবাইকে নিয়ে ভাল থাকবেন ?আমাদের এই পোষ্ট গুলো ঝুদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমাদের  ওয়েবসাইট  বেশি করে  ভিসিটে করুন  ধনবাদ